ভরা যৌবনা

আমাদের গন্তব্য দুবলার চর। খুলনা থেকে অনেকদুর। একমাত্র মাধ্যম লঞ্চ অথবা ট্রলার। কিন্তু এমন লঞ্চ অথবা ট্রলার ভাড়া করতে হবে, যারা আমাদের প্রাইভেসীতে বাদ সাধবে না। যেটা পাওয়া আসলেই দুস্কর। সকালের নাস্তা করে ফিরে আসলাম হোটেলে। গোছগাছ করে নিচ্ছি সবাই। রুপসা ঘাট থেকে বাসে চড়ে মংলা চলে আসলাম।

মংলা সমুদ্র বন্দর। এখানেও বিখ্যাত বানিশান্তা পতিতা পল্লী। কমরজল কুমির প্রজনন কেন্দ্র। এতকাছে এসে না দেখে গেলে অন্যায় হবে। মা নদী ঘাটে যেয়ে একটা বড়সড় ট্রলার খুজতে লাগলেন, যেটায় আমরা সাতদিন কাটাবো। কিন্তু মনপছন্দ ট্রলার পাওয়া গেলেও মনপছন্দ মাঝি পাওয়া যাচ্ছিল না। একসময় পেয়ে গেলেন মা। ৬০/৭০ বছরের একজন বুড়ো, সাথে তার মেয়ে। পরে জেনেছিলাম, ঐ বুড়োর ঐ একটি মেয়ে ছাড়া কেউ নেই, বয়স বেশি না, এখানে প্রকাশ করতে রাজি না আমি, অন্য সমস্যা হতে পারে। তাই বাধ্য হয়ে বুড়ো মেয়েক সাথেই রাখে। এই ট্রলারই তার থাকার জায়গা, বাড়ী, ঘর সবকিছু। রওনা হলাম আমরা কমরজলের উদ্দেশ্যে। মংলা থেকে বেশ দুরে।

নদীর একপাশ দিয়ে চলছি আমরা। ভরা যৌবনা নদী। ট্রলার ছাড়ার আগে, মায়ের নির্দেশিত সকল জিনিসপত্র কিনে নিয়েছে মাঝি। রান্নাসহ অন্যান্য ব্যবস্থা সব এই ট্রলারে। কাজেই সুন্দরবনে যেহেতু কিছু পাওয়া যাবে না, কাজেই সবকিছুর ব্যবস্থা করে নিতে হল।দুপুরের একটু পরে মাঝি আমাদের করমজলের ঘাটে নামিয়ে দিল। আসতে আসতে নদীর মাঝে যেমন অনেকগুলো জাহাজ দাড়িয়ে থাকতে দেখেছি, তেমনি নদীর ধারের অপরুপ দৃশ্য। মা ট্রলারে উঠেই মাঝির নির্দেশিত উপায়ে রান্না চড়িয়ে দিলেন। ভুনা খিচুড়ি। আর আমরা তিন বান্দর, ট্রলারের চালের উপর উঠে, কখনও গলুইয়ে বসে উপভোগ করছিলাম নদী আর আশেপাশের সৌন্দর্য্য। মাঝির মেয়েটা একটু ভয়ে ভয়ে আমাদের থেকে দুরে বসে দেখছিল আমাদের দুষ্টমি। কিন্তু যখন সে মাঝে মাঝে দেখছিল, বোন আর খালার দুধ হঠাৎ করে আমি ধরে টিপে দিচ্ছি, তখনই তার চোখ বড় বড় হয়ে যাচ্ছিল।

ট্রলার থেকে নামার আগে খেয়ে নিলাম। সুন্দরবনের শুরুটা মনে হয় এখানে। ১০ টাকা করে পারহেড টিকিট। মাঝির মেয়েকেও মা আমাদের সাথে ডেকে নিলেন। যে এখানে আসেনি সে বুঝবে না, নদীর ধারে এই জংলার মধ্যে কি সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে। কুমির প্রজনন কেন্দ্রতো আছেই, সেই সাথে একটা মিনি চিড়িয়াখানা, যেখানে হরিন আছে। সবচেয়ে বড় আকর্ষণের বিষয়, নদীর ঘাট থেকে, জঙ্গলের মধ্যে কাঠ দিয়ে রাস্তা করে দেওয়া, দুই পাশে আর মাথার উপর সুন্দরবন, মাঝখান দিয়ে রাস্তা। জঙ্গলের পাখির কিচির-মিচির সেই সাথে নির্জন, নিঝুম পরিবেশ, অন্য রকম সৌন্দর্য্য। সেই সৌন্দর্যে মশগুল হয়ে আমরা জঙ্গলের মধ্যে হারিয়ে যাওয়ার মানসিকতায় এগিয়ে চললাম।
অনেকলোকের পদচারণা। তারপরেও যেন জঙ্গলের গম্ভীরতা দুর করতে পারছে না। প্রায় কিলোমিটার রাস্তা হেটে আসার পর, কাঠের সিড়ি শেষ হয়ে গেল। একটা গোলা ঘর। তারপরে ঘণ কাশবনের মধ্য দিয়ে পায়ে হাটা পথ। গোলা ঘরের নিচেই একটা খাল। মাটির রাস্তা দিয়ে নামতে শুরু করলাম। বেশ কয়েকটা কানাগলির মত পায়ে হাটা পথ পার হয়ে আরো সামনের দিকে এগোচ্ছি আমরা। নির্জন হয়ে আসছে, লোকসংখ্যার আধিক্যও কমে গেছে প্রায়। ৱ
-চল ঐ সামনেরটা দিয়ে ঢুকি আমরা! মা প্রস্তাব দিল।
আতকে উঠল মাঝির মেয়ে

-না! না! ঐ জঙ্গলের মধ্যে ঢুকেন না, বাঘ আছে, রাসতা হারিয়ে যাব, আমরা আর ফিরে যেতে পারবো না। আতঙ্ক যেন তার কথায় আমাদের মধ্যেও ঢুকে গেল। কিন্তু আমার মা নাছোড়বান্দা। যা হয় হবে, তিনি ঐ গলি দিয়ে ঢুকবেন। ভয়ে ভয়ে মায়ের বাধ্য ছেলের মতো আমি আগে ঢুকলাম, আমার পিছনে খালা, তারপর ঐ পিচ্চি, বোন আর মা সবার শেষে।

এতক্ষণে মাঝির মেয়ের পরিচয় দেওয়া হয়নি আপনাদের কাছে। এবার দেয়, কেননা, সামনের জঙ্গলে তার ভূমিকা আছে।
টেনেটুনে হয়তো ৪ফুট ৮ ইঞ্চি হতে পারে। লিকলিকে, পাতলা একটা ফ্রক পরণে। যেটা তার ছোট কতবেলের আকৃতির দুধকে মাঝে মাঝেই প্রকট করে দিচ্ছে। বয়স আন্দাজ করা সম্ভব না, কিন্তু দুধের আস্তরণ দেখলে মনে হয় না, ঐ দুধে কখনও কারো কোনদিন হাত পড়েছে। জঙ্গলের মাঝে তাকে মাঝে মাঝে অদৃশ্য লাগছে, হয়তো তার গায়ের রং জঙ্গলের পরিবেশের সাথে মিশে যাচ্ছে বলে।


কিছুদুর যেয়ে পথ শেষ হয়ে গেল। এই মুহুর্তে আমাদের চারিপাশে শুনশান নিরবতা। কোন বড় গাছ নেই, শুধু মাত্র শনজাতীয় গাছ। মায়ের জেদে ঐ শন গাছ মাড়িয়ে চলতে লাগলাম। কতক্ষণ হেটেছি বলতে পারবো না, কিন্তু মাঝে মাঝে সড়সড় শব্দে গায়ের পশম খাড়া হয়ে যাচ্ছিল। থামতে হলো একটা সময়, যখন মাঝির মেয়ে মাকে বলল, তার প্রশাব লেগেছে। কিন্তু এমন জায়গা চারিপাশে সে যে কোথাও বসবে, সে জায়গাটুকু নেই। একটা সময় একটু ফাকা মত জায়গা পেলাম। কিন্তু আপত্তি তার, আমি রয়েছি, সে কিছুতেই বসবে না।
-ওদিকে ফিরে দাড়া ভাইয়া, হাসতে হাসতে বোন যখন বলল, একটু পিছন ফিরে দাড়িয়ে পড়লাম। মায়েরাও অন্য দিকে ফিরে দাড়িয়ে রয়েছে, ছরছর করে শব্দ হচ্চে প্রশাব ঐ সব শনগাছে লাগায়। একবার ভাবলাম তাকিয়ে দেখি। কিন্তু তাকানো লাগল না, প্রকৃতিই আমাকে বাধ্য করল, দেখতে। হঠাৎ যেন পাশের কাশবনে আলোড়ন সৃষ্টি হলো, আর মেয়েটি বাধ্য হয়ে ভয়ে চিৎকার শুরু করেছে দেখে তাকালাম, কাপড়টা কোনরকমে টেনে হাটুর উপর তোলা, গলায় ভয়ার্ত চিৎকার। সবাই কমবেশি ভয় পেয়ে স্ট্যানুর মত দাড়িয়ে আছি। কিন্তু ভয় কমে গেল, যখন দুটি বানরের মারামারি দেখতে পেলাম। স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলাম সবাই, কিন্তু মেয়েটি আসলেই ভয় পেয়েছে। সে পায়জামা পরার কথা ভুলে গেছে। তাকালাম তার দিকে। 
কামিজের আড়াল দিয়ে তার বালে ঢাকা গুপ্ত অঞ্চল দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেদিকে তার খেয়াল নেই। আমার ইচ্ছা হলো একটু গুদে হাত দেওয়ার। কিন্তু কিভাবে দেব।
-এই মেয়ে তোমার ওখানে কি লেগে রয়েছে?
সবাই তাকাল আমার দিকে। মেয়েটিও।
-কোথায়? মেয়েটি আমার কাছে জিজ্ঞাসা করল।
-তোমার জামার নিচে? সবাই যেন আমার কথা বিশ্বাস করল, সবাই তাকাল মেয়েটির গুপ্তদেশের দিকে। এতক্ষণে যেন মেয়েটি তার উলঙ্গপনার ব্যাপারে সচেতন হল। দ্রুত পায়জামা টেনে তুলল।
-ওই অবস্থায় পরলে, কি লেগে রয়েছে, পরে সমস্যা হবে, দেখি আমাকে দেখতে দাও। এগিয়ে গেলাম আমি, কিন্তু মেয়েটি তার পায়জামা আরো যেন টাইট করে ধরল।
-আসলে কি লেগেছে ভাইয়া? বোনের কথায় তাকালাম তার দিকে, চোখ মেরে ইশারা করলাম, মৃদু শয়তানি হাসি ফুটো উঠল তার মুখে।
-দেখতে দাও। নাহলে পরে চুলকাতে পারে। অনেকটা ইতস্তত বোধ করলেও বোনের কথায় যেন একটু সাহস পেল মেয়েটি। এগিয়ে যেয়ে একটু উবু হয়ে বসলাম, তারপর মেয়েটির হাত থেতে পায়জামার মুখটা কেড়ে নিলাম, বাধা খুব একটা আসল না, হাটু পর্যন্ত নামিয়ে দিলাম, তারপর নিজেও হাটুর পরে বসে, দেখছি যেন কিছু এমন করে খুজতে লাগলাম। বেশ বড় বড় বালে ঢাকা, গুদের মুখ প্রায় দেখায় যায় না, তবে পরিস্কার। কোন ময়লা নেই। পায়জামাটা এক হাতে ধরে ডান হাতটা এগিয়ে নিয়ে যেয়ে চুলের ভেতর যেভাবে উকুন দেখে সেভাবে বালের ভেতর যেন কি খুজতে লাগলাম, কেপে উঠল মেয়েটা আমার হাতের পরশ পেয়ে। একটু উপর মুখো তাকিয়ে দেখলাম, স্বলজ্জ ভংগিতে দাড়িয়ে আছে মেয়েটি। বালের মধ্যে চাপটা বাড়ালাম, আঙ্গুল দিয়ে গুদের মুখটা খুজে নিলাম, একটু নাড়াচাড়া করলাম, গুদের মুখের মধ্যেও নাড়ালাম।
হঠাৎ উবু হয়ে পায়জামাটা টেনে নিতে গেল মেয়েটি। মা ধমক দিলেন এবার।
-ভাল করে দেখতে দে।
মায়ের কথাতে বোধহয় ভয় পেল, আর পায়জামা টানাটানি করল না। মায়ের দিকে তাকালাম আমি, খালা জড়িয়ে ধরে রেখেছে তাকে, মায়ের মুখে অভয়ের হাসি। বোনও জড়িয়ে ধরে মাকে, কানে কানে কি যেন বলল। আশেপাশের পরিবেশ সম্পর্কে এই মুহুর্তে অসচেতন আমরা। দুপুর গড়িয়ে গেছে অনেক আগেই। আমি এই মুহুর্তে ব্যস্ত নতুন এই খেলনা নিয়ে।
বোনের কানে কানে মাও যেন কি বলল। আনন্দে যেন হেসে উঠল বোন, একটু জোরেই, মেয়েটিও তাকালো তাদের দিকে।
আমি আমার কাজে মনোযোগ দিলাম, মেয়েটির পায়জামা এবার পুরোটা খুলে দিলাম, একপা করে দুপা তুলেই মেয়েটি কাজে সাড়া দিল। দুটি পা একটু ফাক করে দিলাম, তারপর গুদের কাছে আংগুল নিয়ে যেয়ে মুখটাকে একটু হা করে দিলাম, আরামে না ব্যথায় বুঝলাম না, মেয়েটি পা দুটোকে আরেকটু ফাক করে দিয়ে দাড়াল। আলো কম হলেও মেয়েটির গুদের লাল রং বুঝতে অসুবিধা হচ্চিল না। মৃদু ঘর্ষণ দিতে লাগলাম।
-ভাইয়া চুলকাচ্ছে? ছেড়ে দ্যান।
-আরেকটু দাড়া, ভাল করে দেখেনি, দেখেছিসতো এখনই চুলকাচ্ছে, ভাল করে না দেখলে, আরো বেশি চুলকাবে।
আর বাধা দিল না, মেয়েটির গুদ রসিয়ে উঠছে আঙ্গুলে চোদনে। ধীরে ধীরে আঙ্গুল ঢোকানোর চেষ্টা করলাম, ঢুকল না।, মুখ থেকে একদলা থুথু নিয়ে গুদের উপরের পাপড়ি তে ভাল করে মাখিয়ে দিলাম। 
-কিছু পেলি খোকা? মা এগিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করলেন।
-না মা এখনও পায়নি, ওর জামার মধ্যে ঢুকে যায়নি তো? মুখ তুলে মায়ের কাছে জিজ্ঞাসা করলাম।
-দাড়া আমি দেখছি, এগিয়ে এসে মা, ওর জামাটা উচু করে খুলতে গেলেন। মেয়েটি বাধা দিতে গেল, কিন্তু হয়তো মায়ের ধমকের ভয়েই কিছু বলল না।
অনাহার আর অপুষ্টের শরীর। হয়তো ঠিকমত পুষ্টির অভাবেই বাড়েনি। বুকের দুধদুটো ছোটছোট। তবে নিস্কলঙ্ক বোঝা যাচ্ছিল। যদিও গুদের কোয়াগুলি বেশ বড়বড়। আমার হাতের ঘসানিতে ইতিমধ্যে সেখানে রস জমতে শুরু করেছে।

0 comments:

Stay with us and read Exclusive Bangla Choti Stories...